পরীক্ষার প্রস্তুতি, নোটস সাজেশন পাওয়ার জন্য টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করো Join

বড়মা ধর্ম হোক যার যার বড়মা সবার !!!! জয় বড় মা জয় মা তুমি সবাই কে ভালো রাখো মা

WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now


বড়মা ধর্ম হোক যার যার বড়মা সবার





 নৈহাটি স্টেশন (Naihati Station) রোড ধরে গঙ্গার জেটি ঘাটের দিকে যেতেই চোখে পড়বে কালী মন্দির। আর মন্দিরের ঠিক পাশেই তৈরি হচ্ছে বিশালাকার মূর্তি। নৈহাটির বড়মার মূর্তির উচ্চতা ২১ ফুট। নৈহাটির অন্যান্য কালী প্রতিমার চেয়ে এই মূর্তির উচ্চতা অনেক বেশি হওয়ায় নাম বড়মা। তিনি এখানে দক্ষিণাকালী রূপে পূজিতা৷ এখন চলছে বড়মার মুখমণ্ডল তৈরির কাজ। মাচা বেঁধে সিঁড়ি দিয়ে উঠে কাজ করছেন মৃৎশিল্পীরা। প্রতিবছর কৃষ্ণবর্ণের এই দেবী প্রতিমা কয়েক কেজির স্বর্ণালঙ্কারে সেজে ওঠেন।



নৈহাটির বড়মা ধর্ম হোক যার যার বড়মা সবার “”এই কথাটি প্রচলিত নৈহাটির এই বড়মা কালী পুজোয়। মুকুট ছাড়া 22 ফুট এর উচ্চতা। গত আট বছর ধরে শিল্পী শুভেন্দু সরকার মায়ের এই সুবিশাল প্রতিমা গড়ে এসেছেন। ঐতিহ্যবাহী এই পুজো সম্পর্কে চলুন জেনেনেই।

আনুমানিক 100 বছর ধরে চলে আসছে নৈহাটি বড়মার পুজো। নৈহাটির অরবিন্দ রোডে এই পুজো হয়। 2013 সালের এপ্রিল মাসে বড়মার মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়। কথিত আছে 100 বছর আগে ভবেশ চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তি তার কয়েকজন বন্ধু নবদ্বীপে রাস দেখতে গিয়ে রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি দেখে মনস্থির করেন যে তারাও উঁচু মাতৃ প্রতিমা প্রতিষ্ঠিত করে কালী পুজো শুরু করবেন। প্রথম 21 ফুট কালী মূর্তি পুজো শুরু করা হয়, তখনই পুজোর ভাবেশ কালী নামে পরিচিত ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অরবিন্দ রোডের ধর্মশালা মোড়ে আগে রক্ষাকালী পুজো হত। পুজো শেষে গভীর রাতেই বিসর্জন দেওয়া হত। পরবর্তীকালে সেই পুজো বন্ধ হয়ে যায়। পরে নদিয়া জুটমিলের কর্মী ভবেশ চক্রবর্তী এই কালী পুজোর প্রচলন করেন। পুজোর রাতে বড়মার ভোগে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, পাঁচ রকমের ভাজা, তরকারি, লুচি, চাটনি ও পায়েস। 


বিসর্জনের আগের দিন রাতে দেবীকে লাড্ডু ভোগ দেওয়ার প্রথা রয়েছে। যা আজও হয়৷ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা নৈহাটিতে বড়মার পুজো দিতে ছুটে আসেন। এবছরও কয়েক লক্ষ্য ভক্তদের সমাগম হবে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন মন্দির কমিটির পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন।

সারাবছরই মন্দিরে বড়মার (Boro Maa) নিত্য পুজো হয়ে থাকে। কালীপুজোর সময় ৫ হাজার কিলোরও বেশি ভোগ রান্না হয়। কালীপুজোর দিন থেকে পর পর চার দিন দেবীর বিশেষ পুজো হয়। প্রত্যেক দিন আলাদা আলাদা ভোগ নিবেদন করা হয়। নৈহাটিতে সবার প্রথমে বড়মার প্রতিমা বিসর্জন হয়। 


প্রতিমা বিসর্জনেও রয়েছে অভিনবত্ব। মায়ের ও শিবের চক্ষু ছাড়া অন্য সমস্ত সোনার গয়না খুলে নেওয়া হয়। এরপর, ফুলের গয়নায় সাজিয়ে তোলা হয়। অবশেষে বিশাল এই প্রতিমাকে ট্রলি করে নিয়ে গিয়ে গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়। এই সময় দেশ-বিদেশ থেকেও ভক্তরা আসেন বড়মাকে দর্শন করতে।

পরবর্তীতে এই কালি উচ্চতার কারণে বড় মা কালী নামে পরিচিত হয়, এখন সেই মূর্তির উচ্চতা 22 ফুট। কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার দিন এখানে কাঠামো পুজো হয় তারপরের 15 দিনের মধ্যেই এই প্রতিমা তৈরি করা হয়। কুটির জমিনে বৈষ্ণব মতে এখানে পুজো হয় তাই এখানে কোন বলিদানের রীতি নেই। 


পুজো কমিটির কথা অনুযায়ী জানা যায় যে এই মুহূর্তে মায়ের মোট 100 ভরি সোনার গহনা এবং 200 ভরি রুপোর গয়না রয়েছে। পুজোর দিন সমস্ত গহনা মাকে পরানো হলেও বিসর্জনের দিন সেই সমস্ত গহনা খুলে নিয়ে প্রতিমা জুড়ে ফুলের গহনা দিয়ে সাজানো হয়। এবং তার পরের ট্রলি করে গঙ্গায় বিসর্জন করা হয়





WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now
WhatsApp Group Group Join

Post a Comment

পোস্ট পড়ে বা কোন Test দিতে গিয়ে যদি কোন সমস্যা হয় বা জিজ্ঞাসা থাকেে, নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারো